বাংলা ব্যাকরণ ।। পার্ট-১



বাংলা ব্যাকরণ
বাংলা ব্যাকরণ 



১) ভাষার মূল উপাদান – ধ্বনি।
২) আভরণ শব্দের অর্থ – অলংকার।
৩) মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন এখানে কিংবা – বিয়োজক অব্যয়।
৪) ঢাকের কাঠি বাগধারার অর্থ – তোষামুদে।
৫) বাবুর্চি – তুর্কি শব্দ।
৬) শুদ্ধ বানান – মূর্ধন্য।
৭) চীনা শব্দ – চা, চিনি।
৮) ভাষায় সর্বনাম ব্যবহারের উদ্দেশ্য – বিশেষ্যের পুনরাবৃত্তি দূর করা।
৯) সন্ধির প্রধান সুবিধা – উচ্চারণে।
১০) কর্মভোগ এড়ানো যায় না এখানে কর্ম অর্থ – কৃতকর্ম।
১১) তুমি না বলেছিলে আগামীকাল আসবে? এখানে না – প্রশ্নবোধক অর্থে।
১২) পাবক শব্দের সমার্থ – অগ্নি।
১৩) লোকটা যে পিছনে লেগেই রয়েছে, কী বিপদ!! এখানে কী – বিরক্তি বোঝায়।
১৪) তুমি যাও – অনুজ্ঞা।
১৫) সমার্থক নয় – মরৎ।
১৬) The window panes steamed up এর বাংলা – জানালার কাচ ঝাপসা হয়ে গেল।
১৮) সমাস গঠিত শব্দ – নরপুঙ্গর ( দ্বন্দ্ব সমাস)।
১৯) যৌবন এর বিপরীত শব্দ – জরা।
২০) ছেমড়া শব্দটি – সংস্কৃত।
২১) প্রত্যয়গতভাবে শুদ্ধ – উৎকর্ষতা।
২২) অমিত্রাক্ষর ছন্দের বৈশিষ্ট্য – অন্তমিল থাকেনা।
২৩) চাঁদ – তদ্ভব শব্দ।
২৪) পুণ্যে মতি হোক এখানে পুণ্যে – বিশেষ্য।
২৫) তার বয়স বেড়েছে কিন্তু বুদ্ধি বাড়েনি – যৌগিক বাক্য।

২৬) আনারস, চাবি – পর্তুগিজ শব্দ।
২৭) শুদ্ধ বানান – নির্নিমেষ।
২৮) দশানন কোন সমাস – বহুব্রীহি।
২৯) সংশয় এর বিপরীত শব্দ – প্রত্যয়।
৩০) ইহলোকে যা সামান্য নয় – আলোক সামান্য।
৩২) ভাষায় সাহিত্যের গাম্ভীর্য ও আভিজাত্য প্রকাশ পায় – সাধু ভাষায়।
৩৩) রাত্রির সমার্থক নয় – বারিদ।
৩৪) ব্রজবুলি হলো – মৈথিলি ভাষার একটি উপভাষা।
৩৫) অভিধানে আগে বসবে – চাঁটি শব্দি।
৩৬) গাহি সাম্যের গান, ধরণীর হাতে দিল যারা আনি ফসলের ফরমান – নজরুলের সাম্যবাদী কবিতার লাইন।
৩৭) অভিনিবেশ শব্দের অর্থ – মনোযোগ।
৩৮) সঠিক বাক্য – আমার কথাই প্রমাণিত হলো।
৩৯) সন্ধ্যায় সূর্য অস্ত যায় – নিত্যবৃত্ত অতীত।
৪০) সাধুরীতির বৈশিষ্ট্য – সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে।
৪১) ঢাক ঢাক গুড় গুড় বাগধারার অর্থ – গোপন রাখার প্রয়াস।
৪২) কোনটি পরিচ্ছদ – শিমুল।
৪৩) যৌগিক বিশোষণের উদাঃ – পন্ডিত জনোচিত উক্তি।
৪৪) প্রত্যয়ান্ত শব্দ – পিপাসা।
৪৫) কোন ত্রয়ীবানান শুদ্ধ – মুমূর্ষু, সংঘর্ষ, বিমর্ষ।
৪৬) কোনটি অঙ্গ ভূষণ – মেখলা।
৪৭) Transliteration এর পরিভাষা – প্রতিবর্ণীকরন।
৪৮) তুলনাজ্ঞাপক শব্দ – প্রমিত।
৪৯) বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত পত্রিকা – কবিতা।
৫০) শুব্দ বানান – মুমূর্ষু।

৫১) যে নারী প্রিয় কথা বলে – প্রিয়ংবদা।
৫২) Executive – এর পরিভাষা – নির্বাহী।
৫৩) পর্যালোচনা এর সন্ধি বিচ্ছেদ – পরি + আলোচনা।
৫৪) মেধাবী শব্দের প্রকৃতি প্রত্যয় – মেধা + বিন।
৫৫) গোঁফ খেজুরে অর্থ – নিতান্ত অলস।
৫৬) অন্ধজনে দেহ আলো। এখানে অন্ধজনে কোন কারকে কোন বিভক্তি – সম্প্রদানে ৭মী।
৫৭) কচ্ছপের কামড় বাগধারার অর্থ – নাছোড়বান্দা।
৫৮) লাঠা লাঠি – বহুব্রীহি সমাস।
৫৯) ভুল প্রতিশব্দ – ইচ্ছা- পরশ্রীকাতরতা।
৬০) সৌম্য এর বিপরীত – উগ্র।
৬১) আপদ এর বিপরীত শব্দ – সম্পদ।
৬২) ভূত এর বিপরীত শব্দ – ভবিষ্যৎ।
৬৩) শান্ত এর বিপরীত শব্দ – অনন্ত।
৬৪) কৃতঘ্ন এর বিপরীত শব্দ – কৃতজ্ঞ।
৬৫) অশুদ্ধ বাক্য – সর্বদা পরিস্কৃত থাকিবে।
৬৬) শুদ্ধ বাক্য – তুমি কি ঢাকা যাবে?
৬৭) শুদ্ধ বাক্য – রহিমা পাগল হয়ে গেছে।
৬৮) শুদ্ধ বাক্য – বুনো ওল, বাঘা তেতুল।
৬৯) বায়ু শব্দের সমার্থক শব্দ – বাত।
৭০) চাঁদ এর সমার্থক শব্দ – নিশাপতি।
৭১) সমুদ্র শব্দের সমার্থক – পাথার।
৭২) রাজা শব্দের সমার্থক – নরেন্দ্র।
৭৩) জল শব্দের সমার্থক শব্দ – অম্বু।
৭৪) জীবন্মৃত এর ব্যাসবাক্য – জীবিত থেকেও যে মৃত।
৭৫) অরুন এর প্রতিশব্দ নয় – বিজলী।


৭৬) নিকেতন এর প্রতিশব্দ নয় – তোয়।
৭৭) রামা এর প্রতিশব্দ নয় – সুত।
৭৮) শিক্ষককে শ্রদ্ধা কর। এখানে শিক্ষককে – সম্প্রদানে ৭মী বিভক্তি।
৭৯) পৌরসভা কোন সমাস – ৬ষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস।
৮০) অর্ক এর প্রতিশব্দ নয় – অনিল।
৮১) কোনটি সঠিক – আপাদমস্তক।
৮২) দশানন কোন সমাস – বহুব্রীহি সমাস।
৮৩) ভূত এর বিপরীত শব্দ – ভবিষ্যত।
৮৪) রক্ত করবী – নাটক।
৮৫) বসুমতী শব্দের সমার্থক – ধরিত্রী।
৮৬) পরার্থ শব্দের অর্থ – পরোপকার।
৮৭) যে নারী প্রিয় কথা বলে – প্রিয়ংবদা।
৮৮) বৃষ্টি এর সন্ধি বিচ্ছেদ – বৃষ+তি।
৮৯) রবীন্দ্রনাথের রচনা নয় – বিষের বাঁশী।
৯০) গুরুজনে ভক্তিকর এখানে গুরুজনে – কর্মকারক।
৯১) surgeon এর পরিভাষা – শল্য চিকিৎসক।
৯২) পর্যালোচনার সন্ধি বিচ্ছেদ – পরি + আলোচনা।
৯৩) অম্বর শব্দের অর্থ – আকাশ।
৯৪) নিরানব্বইয়ের ধাক্কা – সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি।
৯৫) শুদ্ধ বানান – পিপীলিকা।
৯৬) প্রবচন – পুরোনো চাল ভাতে বাড়ে।
৯৭) দারিদ্রতা শব্দটি অশুদ্ধ – প্রত্যয়জনিত কারনে।
৯৮) কোন বানানটি সঠিক – ভদ্রোচিত।
৯৯) উনপাঁজুরে শব্দের অর্থ – দুর্বল।
১০০) উত্তম পুরুষের উদাহরণ – আমি।


১০১) দিনের আলো ও সন্ধ্যার আঁধারে মিলন–গোধূলী।
১০২) যা দীপ্তি পাচ্ছে – দেদীপ্যমান।
১০৩) আকাশ শব্দের সমার্থক নয় – হিমাংশু।
১০৪) দেশী শব্দ – চাল, চুলা।
১০৫) সন্ধি শব্দের বিপরীত শব্দ – বিয়োগ।
১০৬) কোনটির লিঙ্গান্তর হয় না – কবিরাজ।
১০৭) সকল সভ্যগণ এখানে উপস্থিত ছিলেন এর শুব্দ রুপ – সভ্যগণ এখানে উপস্থিত ছিলেন।
১০৮) বাঁধ্ + অন = বাঁধন। কোন শব্দ – কৃদন্ত শব্দ।
১০৯) ধাতু কয় প্রকার – ৩ প্রকার।
১১০) রচনাটির উৎকর্ষতা অনস্বীকার্য এর শুব্দ রুপ – রচনাটির উৎকর্ষ অনস্বীকার্য।

Thank You 🙏



Post a Comment

Previous Post Next Post